এক আত্মীয়ের বিয়ের ব্যাপারে নামকরা এক ঘটকের অফিসে গিয়ে দেখি সেখানে কেউ নেই। এক মুচি বসে বসে জুতা কালি করছে।
ঘটক সাহেব কোথায় জিজ্ঞেস করতেই সেই মুচি একগাল হেসে জানালো- সে নিজেই ঘটক। কি করতে হবে জানতে চাইলো?
আমরা চোখ কপালে তুলে জানতে চাইলাম- আপনিই ঘটক?
– জ্বি, আমিই ঘটক।
– বাট, ঘটক হয়ে এখানে জুতা কালি করার কাজে কেন?
– তা আর বইলেন না জনাব। ঘটকালির ব্যবসাটা ভালোই চলছিলো। বেশ নামডাক ও ছিলো। কিন্তু ধীরে ধীরে ব্যবসাটা খারাপ হতে হতে লাটে উঠলো। তারপর উপায়ান্তর না দেখে টাকার অভাবে “ঘটকালির” ব্যবসা থেকে “ঘট” শব্দটা বাদ দিয়ে এখন শুধু কালির কাজ করছি।
– আহ্হারে….। খারাপ লাগলো আপনার এ অবস্থা দেখে।
– মশাই, খারাপ লাগার কিচ্ছু নাই, যেই দ্যাশের প্রধানমন্ত্রী টাকার অভাবে তার ছেলের লেখাপড়া করাতে পারেন না, সে দ্যাশে তাও তো আমি জুতা কালি করেও আমার ছেলেরে লেখা পড়া করাইতেছি। এটাই বা কম কিসের?
– হুমমম, তা অবশ্য ঠিক বলছেন।
– শুধু তাই না, আমার ছেলে এখন মাত্র ক্লাস ফোরে পড়ে। সে এই বয়সেই কম্প্যুটারে কি যেন কয়- পাওয়ার পয়েন্ট নাকি টাওয়ার পয়েন্ট সেটা শিখে ফেলছে….।
– মাই গড, আপনার ছেলে তো ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হয়ে যাবে।
– জ্বি, দোয়া করবেন। আমিও যাতে ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হইবার পারি…। সেদিন কিন্তু ঘটকালির ব্যবসাটা আবার জমজমাট করে শুরু করবো। দ্যাশের তাবৎ অবিবাহিত ছ্যামরা-ছেমরির বিয়া আমি নিজ দায়িত্বেই দিমুনে। আপনার আত্মীয়ের বায়োডাটা টা ও রেখে যান। আর দোয়া করেন আমি যাতে অতিসত্বর…..।
Tariqul Islam's Fun Page Keep life happy with worship