এত্ত ফানি কথাবার্তা খুব কমই শুনেছি

এত্ত ফানি কথাবার্তা খুব কমই শুনেছি। দুনিয়াতে কোনো ব্যাংক নাই, যারা নিজেদের কিস্তি বাদ দিয়ে বন্ধকী সম্পদ নেওয়ার ধান্ধা করে। ১ টাকা দিয়ে ১০ টাকা নেওয়ার ধান্ধা ব্যাংক কখনো করতে পারে না। কারণ ব্যাংকে মানুষ ১০০ টাকার সম্পদ বন্ধক রাখে ৮০ টাকা ঋণ নেওয়ার জন্য। ১০ টাকা সম্পদ থাকা ব্যক্তি ১ টাকার জন্য ব্যাংকে তখনই যায়, যখন সে ব্যাংকের টাকা মারার ধান্ধা করে।

আর ব্যাংক ভালো করেই জানে, কিস্তির টাকার চেয়ে মূল্যবান সম্পদ আর কিছু হয় না। লোন মেরে দেওয়ার ইনটেনশান না থাকলে বিষয়টা আদালতে গেলো কেন? ব্যাংক আদালতের শরণাপন্ন তখনই হয়, যখন সে দেখে যে তার ক্লায়েন্ট প্রতিশ্রুত কিস্তি শোধ করছে না। তোমার বাপ-মা এভাবে শোধ না করে মেরে দেওয়ার ধান্ধা করছিল দেখেই ব্যাংক ডিফল্টারের নামে মামলা করছে, নাহলে তো মামলাই নেওয়া হতো না।

প্লাস এই ব্যাটা বলে তারা নাকি জানে না কত পে করতে হবে! হাহাহা। একজন ঋণগ্রহীতা সব জেনেশুনেই ঋণ নেয়। কিস্তি কত দিতে হবে, সেটা সে ভালো করে জেনেই ঋণ নেয়। আর্মি অফিসার তো আরো ভালো করেই জেনে নিছে। দিনের পর দিন কিস্তি পরিশোধ না করায় আদালতে গেছে। তোমার পরিবার ভালো করেই জানতো কত পে করতে হবে। জাস্ট মেরে দেওয়ার ইনটেনশন ছিল আর কী! সকল চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েও ব্যাংক টাকা উদ্ধার করতে না পারলে এটাকে কুঋণ হিসেবে কাউন্ট করে এবং এখান থেকে যতটুকুই পারে, উদ্ধার করার চেষ্টা করে। তোমার ড্যাডি ভালো করেই জানে আদালত পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করার রায় দেবে না। তার মানে তোমার ড্যাডি ব্যাংক থেকে মানুষের টাকা ঋণ নিয়ে তার কিছু পরিমাণ শোধ করে পার পেয়ে যেতে চাচ্ছে। তাই সেই অপেক্ষায় আছে। সেই উদ্ধারের পরিমাণ হয়তো তোমার ড্যাডিকে আদালত এখনো বলেনি। কিন্তু তোমরা যে ঋণ নিয়ে শোধ করোনি, এবং ব্যাংক যে টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে আদালতে গেছে, আর তোমার বাবা-মা যে এখন আদালত থেকে ক্ষমা করে দেওয়া অংশের দিকে তাকিয়ে আছে, এটা সবাই যারা ব্যাংকিং বুঝে বা ব্যাংকে জব করে, তারা ভালো করেই বুঝে। ব্যাংকিং সিস্টেম শেখাতে আসছে ফুডব্লগার। হাউ রিডিকিউলাস!

About Rajib Paul

Check Also

শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ও বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য মানুষ সংসার করে না।

#সম্পর্ক শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ও বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য মানুষ সংসার করে না। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *