যখন হেয়ার কাটিং সেলুনে সমস্ত অপ্রতিরুদ্ধতা কেটে “বাটি ছাট” নামক একটা গাউন পরিয়ে অন্য সবার মত সামরিক প্যারেডে আমার বাবা নির্দেশ দিতো : জমিনের ভেতর পানির সেচ দেওয়ার লাইন ধরে আমি শৈশব ও কৈশোর চাষ দিতাম । বাঁধা দেওয়ার সকল চোখ ফাঁকি দিয়ে সূর্যের কর্মক্ষম সময়ে নিজেকে দুরন্ত বানিয়ে একগাদা চিন্তা ঠেলে দিতাম মায়ের আগুনলাগা মণি বরাবর । আর আগুনে ঘর বাড়ি পুড়ে যাওয়ার যে শব্দ আহাজারি ছাপিয়ে যেত তেমনি দাঁতে দাঁত চেপে মায়ের শাসন ছাপিয়ে যেত আমার যত অবাধ্যতা । ভীষণ দুরন্ত জেনে এক ঘরে হতাম : জেনে গেলাম একা থাকার ভেতর এক আদিমতা আছে । একার ভেতর দিয়ে অপরিচিত পথ চলে হঠাৎ চিনে গেলাম জগতের সকল জোড়ও বেজোড় । কেননা জগতের সম্পর্ক মাথায় নিয়ে চিন্তার ভেতর সবাই নিজের ও নিজেকে নিয়ে একা ।
আমার রাষ্ট্র জুড়ে যখন একাকীত্বের ওহী নাজিল হল তখন স্বঘোষিত রাষ্ট্র নায়ক আমার বাবা গুহার ভেতর ধ্যান করা কৈশোর পরিপন্থি বলে দ্রোহে চিহ্নিত করলো । শাস্তির ফলাফল স্বরূপ জেনে গেলাম ঢেঁকি ও চালের দ্বন্দ্বে গুড়া হয় পিঠার জন্মপর্ব তেমন আমিও আমরা সমস্ত শরীর স্বর্গপন্থি করে চিরস্থায়ী অযাচিত বুকিং দিয়ে সন্তান শাসনের শিক্ষায় শিক্ষিত হলাম ।
Tariqul Islam's Fun Page Keep life happy with worship